অ্যারোব্যটিকস

1247
4902-amazing-aerobatics

অ্যারোব্যটিকস শব্দের মানে এরোপ্লেন স্টানটিং। বিমান চালিয়ে আকাশে উড়া পাইলট যে কতোটা সাহসী তা বোঝা যায় অ্যারোব্যটিকস দেখে। বৈমানিকদের ট্রেনিং এর অংশ হলেও এই দুঃসাহসী কাজ তারা করে বিনোদনের জন্য। তবে সব পাইলট যারা সাধারন বিমান চালায় তারা অ্যারোব্যটিকসে অংশ নিতে পারেনা।

ভূমিসমতলের সাথে অস্বাভাবিক এংগেলে বিমান চালিয়ে শূন্যে অনুদৈর্ঘ্য (রোল) অক্ষ বা পার্শ্বিক (পিচ) অক্ষ বরাবর ডিগবাজি খাওয়াই অ্যারোব্যটিকস। অ্যারোব্যটিকস একক কিংবা একাধিক বিমানের অংশগ্রহণে হতে পারে। বিশেষ ধরনের বিমান, এবং কিছু হেলিকাপ্টার যেমনঃ  MBB Bo 105 অ্যারোব্যটিকস এ অংশ নিতে পারে।সম্পূর্ণভাবে অ্যারোব্যটিকস হেলিকাপ্টারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো Westland Lynx।

অ্যারোব্যটিকস শুরু হয় ১৯ শতকের শুরুর দিকে। ১৯১৩ সালে  Adolphe Pegoud নামে ফ্রান্সের এক পাইলট প্রথম বিমানের সম্মুখ অংশ ভূমির দিকে করে অ্যারোব্যটিকস প্রদর্শন করে।১৯৪৫ সালে Curtis Pitt ওয়ার্ল্ড অ্যারোব্যটিকস কন্টেস্ট এর জন্য বিমান তৈরি করেন যার নাম “Pitts Special S-1”।

প্রধানত পাঁচ ধরনের অ্যারোব্যটিকস ম্যনুবার দেখা যায়;  Lines, Loops, Hammerheads, Rolls এবং Spins.যখন দলগত অ্যারোব্যটিকস দেখানো হয় তখন ১৬টা পর্যন্ত বিমান একসাথে V সেইপে উড়ে। এক্ষত্রে অ্যারোব্যটিকস শো কে আকর্ষনীয় করার জন্য এবং বিমানের গতিপথ দেখানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ধোয়া ছাড়া হয়।তবে এ ধোয়া জ্বালানি পুড়ে উৎপন্ন হয় না; আলাদা ভাবে তৈরি ফগ-অয়েলের বাষ্প যা এরোসল হিসেবে বাতাসে ছাড়া হয়। বিভিন্ন দেশে তাদের জাতীয় পতাকার রঙের ধোয়া ছেড়ে অ্যারোব্যটিকস শো দেখানো হয়। আমাদের দেশে বিজয় দিবসে লাল-সবুজ ধোয়া ছাড়ার মাধ্যমে অ্যারোব্যটিকস শো দেখানো হয়।