আলভিন অ্যান্ড দা চিপ মাংক্স সমাচার

গত ১৮ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়ে গেল ওয়াল্ট বেকার পরিচালিত ‘আলভিন অ্যান্ড দা চিপ মাংক্স : দা রোড চিপস’ মুভিটি। জেনিস কারম্যান আর রস ব্যাগডাসারিয়ান প্রযোজিত আলভিন অ্যান্ড দা চিপমাংক্স ফিল্ম সিরিজের চতুর্থ চলচ্চিত্র এটি। রান্ডি মায়েম সিঙ্গারের কাহিনী নিয়ে এ মুভিটির দৈর্ঘ্য ৯২ মিনিট।

Safe Internet

‘ফক্স টু থাউজেন্ড পিকচার্সের’ কমেডি ঘরানার এই রোড-অ্যাডভেঞ্চারের মুভিতে অভিনয়ে ছিলেন জেসন লি, টনি হেল, কিম্বারলি উইলিয়ামসসহ আরো অনেকে।

এবারও আলভিন, সিমোন আর থিয়োডোর তিনটি চরিত্রের কণ্ঠ শিল্পী হিসেবে যথাক্রমে ছিলেন জাস্টিন লং, ম্যাথিউ গ্রে গাব্লার এবং জেসি ম্যাক্কার্টনি।
আর সংগীতায়োজনের দায়িত্বেও ছিলেন আগের চলচ্চিত্রটিরই সংগীত পরিচালক- মার্ক মাদার্সবাহ্।

এবারের সিক্যুয়ালে আলভিন, সিমন এবং থিওডোরের অভিযান কিছুটা অন্যরকম। কেননা এবার ডেভকে তার নতুন প্রেমের সম্পর্ক থেকে বের করে আনতে চাচ্ছে তারা। তাদের ভয় যে নতুন সম্পর্কে প্রবেশের পর এই ছোট্ট বন্ধুদের ভুলে যাবেন ডেভ।

এ জন্যেই ডেভের প্রেমিকার ছেলের সাথে তারা যায় এক রোড ট্রিপে। আর এই রোড ট্রিপে ঘটে যাওয়া নানান মজার কাহিনী নিয়েই এগিয়ে গেছে এবারের সিনেমার কাহিনী।

তবে আলভিন অ্যান্ড দা চিপমাংক্স : দা রোড চিপসের ট্রেইলার অ্যানিমেটেড সিনেমাপ্রেমীদের হতাশ না করলেও চলচ্চিত্রটি বোধ হয় তাদের ততটা আনন্দ দিতে পারেনি। কেননা মুক্তির প্রথম দিনে চলচ্চিত্রটি আয় করেছে মাত্র ৪.১ মিলিয়ন ডলার। সপ্তাহ শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ১৪.৩ মিলিয়নে।

আর মুক্তির প্রায় দেড় সপ্তাহ পরও এখন পর্যন্ত বক্স অফিসে চলচ্চিত্রটি আয় করেছে ৩০.৩ মিলিয়ন। যা এর বাজেট ৯০ মিলিয়ন থেকে কমই বটে। যেখানে ৬০ মিলিয়ন ডলার বাজেটে তৈরি সিরিজের প্রথম ছবি আলভিন অ্যান্ড দ্যা চিপমাংক্স মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই আয় করে নিয়েছিল ৪৪ মিলিয়নেরও বেশি ডলার। এর মধ্যে ১৩.৩ মিলিয়নই ছিল প্রথম দিনের অর্জন।

আর দ্বিতীয় আলভিন অ্যান্ড দা চিপমাংক্স : দা স্কুইকুয়াল মুক্তির প্রথম দিনই ছিনিয়ে নিয়েছিল ১৮ মিলিয়নেরও বেশি ডলার। আর এর ৭০ মিলিয়নের নির্মাণ বাজেটকে অতিক্রম করতে সময় নিয়েছিল মাত্র ৫ দিন।

৮০ মিলিয়নে নির্মিত তৃতীয় মুভি আলভিন অ্যান্ড দা চিপমাংক্স : চিপরেক্ড-এর প্রথম দিনের অর্জন ছিল ৬.৭ মিলিয়ন। যা বাকি দু’টি মুভির চেয়ে তুলনামূলক কম হলেও শেষে তা সর্বমোট ৩৪২ মিলিয়নেরও বেশি আয় করতে সক্ষম হয়।

অথচ এ সিরিজের অন্য তিনটি চলচ্চিত্রের তুলনায় এবারের মুভিটির বাজেট সবচেয়ে বেশি থাকলেও হতাশাজনকভাবে তা আশানুরূপ সাফল্য এখনো দেখাতে পারেনি।

আর সংখ্যার এই পার্থক্যই বলে দিচ্ছে যে সিরিজের এই চতুর্থ ফিল্মটি অন্য তিনটির তুলনায় বলতে গেলে বক্স অফিসে প্রায় মুখ থুবড়েই পড়েছে।
রেটিংও তেমন ভালো নয় এখনো। আইএমডিবিতে রেটিং পেয়েছে ৩.৬। আর রটেন টমেটোসে আছে ৩.৪ রেটিং নিয়ে।

তবে আশা করা যায় তৃতীয় সিকুয়েলটির মত চতুর্থটিও হয়তো সময় বাড়ার সাথে সাথে বেঁচে যাবে লোকসানের মুখ দেখার হাত থেকে।