উজ্জ্বল ত্বক পান গ্রীষ্মকালেও : পর্ব ২

643
woman-looking-in-the-mirror
ছবি: সংগৃহীত

গ্রীষ্মকাল সম্পূর্ণরূপে চলে এসেছে। এখন বাহারি পোশাক পরে ঘুরে বেড়ানোর এবং মৌসুমী ফল উপভোগ করার উপযুক্ত সময়। কিন্তু গ্রীষ্মে সূর্যের তাপে ও গরম বাতাসে হতে পারে ত্বকের তীব্র ক্ষতি। ক্ষতিকর আবহাওয়া ত্বকের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে যা ত্বককে নিস্তেজ এবং রুক্ষ করে তোলে। এই ক্ষতিকর আবহাওয়া শুধু ত্বককে তামাটে করে দেয় না বরং ময়লা ও ধুলিকণা দ্বারা অত্যধিক ঘামের কারণে লোমকূপের ছিদ্রগুলোকে বন্ধ করতে পারে। তাই এ সময়ে দরকার বিশেষ যত্ন।

পর্ব ১ এ আমরা জেনেছিলাম কিভাবে পানি থেরাপি ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার এর মাধ্যমে ত্বকের যত্ন নেয়া হয়। চলুন আজ আরও কিছু উপায় জেনে নেই।

ClassTune

সানস্ক্রিণ
সর্বদা বাইরে যাবার ৩০ মিনিট আগে উচ্চ-এসপিএফ ধারণক্ষমতাসম্পন্ন সানস্ক্রিণ ব্যবহার করা উচিত। সানস্ক্রিণ যে শুধু ত্বককে কালো হওয়া থেকে বা ত্বকের ক্ষতি প্রতিরোধ করে তা না, বরং আপনাকে সূর্যের কঠোর ইউভিএ রশ্মিগুলো থেকে রক্ষা করে যা চামড়ার ক্যান্সারের জন্য দায়ী।

সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত সূর্যের বিকিরণ প্রবল থাকে এবং চামড়ার উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলে। তাই প্রতি দুই ঘণ্টা পর পুনরায় সানস্ক্রিণ ব্যবহার করতে হবে। তবে এই সময় যতটা সম্ভব বাড়ির ভেতর থাকাটাই ভালো।

এক্সফলিয়েট
উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার প্রথম ধাপ হল সঠিক এক্সফলিয়েশান। আমাদের চামড়ার বাইরের স্তরটিতে জমা হয়ে থাকে মৃত কোষগুলো দিয়ে। এই মৃত কোষগুলো অপসারণের প্রক্রিয়াই হচ্ছে এক্সফলিয়েশান। মৃত কোষগুলো অপসারণের সব থেকে ভালো পদ্ধতি হলো স্ক্রাবিং। আপনি ওটমিল, দুধ এবং বেসনের একটি পেস্ট তৈরি করে ঘরে বসেই প্রস্তুত করতে পারেন একটি স্ক্রাব। এই পেস্টটি ত্বকে লাগিয়ে ৩ মিনিট আলতোভাবে মেসেজ করুন এবং এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে পরিস্কার করে ফেলুন। এই পদ্ধতিটি দুই থেকে তিনবার সপ্তাহে পুনরাবৃত্তি করুন।

পরিস্কার ও পরিচ্ছন্নতা
দিনে কমপক্ষে দুই বার ভালোমানের ক্লিন্সার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করা উচিত। এসব ক্লিন্সার আপনি তৈরি করতে পারেন ঘরে বসেই। দই ও মধুর মিশ্রণ খুবই ভালো ক্লিন্সার, যা ত্বককে শুধু পরিস্কারই করেনা বরং ময়েশ্চারাইজিং এর কাজও করে থাকে। ত্বকে ১০ মিনিটের জন্য এটি লাগিয়ে রাখুন, এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি আপনার ত্বক ব্রণপ্রবণ হয়ে থাকে তবে শশা এবং অ্যালভেরা জেলের ক্লিন্সার ব্যবহার করা ভালো।