অবশেষে এক হচ্ছে টি-মোবাইল ও স্প্রিন্ট

T-Mobile and Sprint
ছবি : সংগৃহীত

২০১৪ সাল থেকে আলোচনা শুরু। তারপর বারবার উভয় কোম্পানির শীর্ষস্থানীয়দের মধ্যে বৈঠক। একাধিকবার ইতিবাচক কথা শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠেনি। অবশেষে ফাইভজি চালুর প্রক্রিয়াকে সামনে রেখে এক হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের টেলিকম বাজারের এই দুই বৃহৎ কোম্পানি টি-মোবাইল ও স্প্রিন্ট।

গত রবিবার উভয় কোম্পানি ঘোষণা দিয়েছে, সাড়ে ২৬ মিলিয়ন ডলারের চুক্তির বিনিময়ে এক হচ্ছে টি-মোবাইল ও স্প্রিন্ট। যার মাধ্যমে টি-মোবাইল যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম টেলিকম কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে।

Safe Internet

টি-মোবাইলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জন লেগেরে নতুন কোম্পানি ‘টি-মোবাইল’ এর প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। স্প্রিন্টের চেয়ারম্যান ও সফটব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসায়োসি সন নতুন কোম্পানির বোর্ডে থাকবেন।

স্প্রিন্টের প্যারেন্ট কোম্পানি জাপানভিত্তিক সফটব্যাংক গ্রুপ কর্পোরেশন এবং টি-মোবাইলের প্যারেন্ট কোম্পানি জার্মানভিত্তিক ডয়েচে টেলিকম এজি উক্ত চুক্তিতে সম্মত হয়েছে।

উভয় কোম্পানির এই যৌথ যাত্রা টেলিকম খাতে বিশেষ প্রভাব ফেলবে, বিশেষ করে ফাইভজি চালুর ক্ষেত্রে। যেহেতু ভেরাইজন ও এটিঅ্যান্ডটি তাদের ফাইভজি নেটওয়ার্ক চালুর দ্বারপ্রান্তে রয়েছে, তাই স্প্রিন্ট ও টি-মোবাইলও বেশ চাপেই ছিলো।

যেহেতু ভেরাইজন ও এটিঅ্যান্ডটি আলাদাভাবে কাজ করছে তাই নতুন টি-মোবাইলের জন্য ফাইলজি চালুর কাজটি অনেক ভালোভাবেই হবে বলে জানিয়েছেন তারা।