মঙ্গলে মানুষের বসবাস কি আদৌ সম্ভব?

ডেনমার্কের মার্স ওয়ান টিম পরিকল্পনা করছে মঙ্গলগ্রহে মানুষ পাঠানোর। ২০২০ সালের মধ্যেই মঙ্গলে কিছু রবোটিক রোভার পাঠানো হবে। তারা সেখানে মানুষের বসবাসের উপযুক্ত জায়গা খুঁজে বের করবে। ২০২২ সালের মধ্যে মঙ্গলে পৌঁছে যাবে মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সরবরাহ। আর ২০২৫ সালের মধ্যেই পাঠানো হবে মানুষ।

গত সপ্তাহে নাসা ঘোষণা দিয়েছে তাদের ‘নিউ ওরিয়ন ক্যাপসুল’ হতে যাচ্ছে মঙ্গলে মানুষ পাঠানোর প্রথম পদক্ষেপ। কিন্তু সত্যিই এই ‘লাল গ্রহে’ মানুষের বেঁচে থাকা কি সম্ভব? অথবা আদৌ কি সেখানে মানুষ পাঠানো যাবে? এরকম সংশয় অনেকের মাঝেই দেখা গিয়েছে। বিভিন্ন কারণে মঙ্গলে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা পিছিয়ে যাওয়ায় এই সংশয় আরও জোরাল হয়ে দেখা দিয়েছে।

তবে নাসার সায়েন্স মিশন ডিরেক্টরেটের প্রধান এবং প্রাক্তন নভোচারী জন গ্রুনসফেল্ড বলেছেন, “১৯২০, ১৯৩০ সালের দিকে মানুষের ধারণা ছিল যে মাউন্ট এভারেস্টে হয়তো কোনোদিনই আরোহণ করা সম্ভব হবে না। কিন্তু ১৯৫৩ সালে তেনজিং নোরগে আর এডমুন্ড হিলারি এভারেস্ট জয় করে দেখিয়ে দিয়েছেন যে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।”

গ্রুনসফেল্ড মনে করেন, এভাবেই হয়তো আমাদের পক্ষে একদিন মঙ্গলকেও জয় করা সম্ভব হবে। যদিও এই পথ খুবই সংকীর্ণ কিন্তু তা অসম্ভব নয়। প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উন্নতিই এই সম্ভাবনাকে বাস্তব করে তুলবে।

গ্রুনসফেল্ড আরও বলেন, “আমার মনে হয় এটি খুবই বাস্তবসম্মত একটা পদক্ষেপ। আমরা হয়তো ২০৩০ সালের মধ্যেই এটা সম্ভব করে তুলতে পারবো, তা না হবে ২০৪০ সালের মধ্যে তো নিশ্চিতভাবেই পারবো। সবার ইচ্ছা আর আগ্রহই এ মঙ্গলযাত্রাকে সম্ভব করে তুলতে পারবে।”