সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন!

যেসব সামুদ্রিক মাছ প্লাস্টিকবর্জ্য খায় সেগুলো আমাদের জন্য হতে পারে বিপজ্জনক। যদিও সব মাছ প্লাস্টিক খায় না কিন্তু যেগুলো খায় সেসব মাছ আমরা খেলে আমাদের শরীরেও এসব প্লাস্টিককণা প্রবেশ করতে পারে।

অসংখ্য প্লাস্টিকবর্জ্য সমুদ্রে গিয়ে পড়ে। সেগুলো ধীরে ধীরে ছোট ছোট টুকরায় পরিণত হয় এবং হালকা হলে পানির উপরে ভাসতে থাকে। সূর্যের আলোয় এবং সমুদ্রের ক্রমাগত ঢেউয়ের ধাক্কায় এসব প্লাস্টিক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়। মাছ, সামদ্রিক প্রাণী এবং সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী এসব কণাকে খাবার ভেবে খেয়ে ফেলে এবং তাদের পাকস্থলীতে এসব প্লাস্টিককণা জমা হয়।

তবে গবেষকেরা দেখতে পেয়েছেন বিভিন্ন মাছের মধ্যে এসব প্লাস্টিক বিভিন্ন পরিমাণে উপস্থিত থাকে। কোন কোন মাছে প্রচুর থাকে আবার অনেক মাছে পাওয়াই যায় না।

যেমন ম্যাকেরেল মাছ সমুদ্রের উপরিভাগে থাকে বলে এরা প্লাস্টিক খায় সবচেয়ে বেশি। কিন্তু এদের দেহে মাত্র ১৩-৩০ শতাংশ প্লাস্টিক পাওয়া যায়। সে তুলনায় ফ্লাওন্ডার আর ইয়েলোফিন মাছে তুলনামূলক বেশি প্লাস্টিক পাওয়া যায়। অনেক সময় হেরিং মাছে প্লাস্টিক পাওয়াই যায় না।

অবশ্য প্লাস্টিক খাওয়ার ফলে মাছেরা অসুস্থ হয় না। আর এসব মাছ খেয়ে মানুষও সাথে সাথে অসুস্থ হয়ে পড়ে না। কিন্তু শরীরে এসব প্লাস্টিককণা প্রবেশ করলে ভবিষ্যতে তা মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। তাই সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার সময় একটু সতর্ক থাকাই ভালো।

 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহ করে এখানে আপনার নাম লিখুন