খেলার সময় সানব্লক

1967
allan-donald

সমুদ্রতীরে গেলে বা খেলার সময় সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বকরক্ষায় অনেকেই সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন। এটা ব্যবহার করলে মানুষের চামড়ার উপরিভাগ রোদে পোড়া থেকে রক্ষা পায়।

ক্রিকেট খেলার সময় অনেক খেলোয়াড়কেই মুখে বা ঠোঁটে সাদা ক্রিম ব্যবহার করতে দেখা যায়। খেলোয়াড়রা মুখে যে সানব্লক ব্যবহার করেন, তাই হলো প্রকৃত সানস্ক্রিন। এগুলো মূলত জিংকসমৃদ্ধ উপাদান দিয়ে তৈরি। এই ক্রিমের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে জিংক শুধু ক্ষতিকর সূর্যরশ্মিকেই বাধা দেয়। এছাড়া, সানব্লকের মূল বিষয়টা হচ্ছে সান প্রটেকশান ফ্যাক্টর। সান প্রটেকশান ফ্যাক্টরের সংক্ষিপ্ত রুপ বচ্ছে এসপিএফ (SPF)। এসপিএফ এর মান যত বেশী হবে তত বেশী ত্বক সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে সুরক্ষা পাবে। যেমন SPF 15 মানে হচ্ছে ১৫ ভাগের ১ ভাগ রশ্মি ত্বকে প্রবেশ করবে। তবে সমস্যার ব্যাপার হলো, ক্রিমগুলো মাখলে মুখে সাদা রঙের পুরু প্রলেপ পড়ে থাকে, যা দেখতে খুব একটা ভালো লাগে না। জিংকের আণবিক গঠনের কারণেই এই ক্রিমগুলো পুরু হয়ে থাকে। ক্রিকেট খেলোয়াড়দের অনেকটা সময় বিশেষ করে টেস্ট ম্যাচের সময় মাঠে ফিল্ডিং করতে হয় বলে তাঁরা এই ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ফাস্ট বোলার অ্যালান ডোনাল্ড খেলার সময় প্রায় ঠোঁটে এবং নাকে পুরুস্তরের ক্রিম ব্যবহার করতেন। কেননা মুখের এই দুটি স্থান রোদে পোড়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অলরাউন্ডার সাইমন্ডসও প্রায়ই খেলার সময় মুখে সাদা ক্রিম মেখে খেলতে নামতেন।

এছাড়া, ক্রিকেট খেলার সময় মাঝে মাঝে বোলাররা জিংকসমৃদ্ধ ক্রিম বলের সীমে ব্যবহার করে থাকেন। এই ক্রিম ব্যবহারে বলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। আবার মাঝে মাঝে ক্রিকেট খেলোয়াড়রা তাঁদের পোশাকের সাথে মিল রেখে ঠোঁটে বা মুখে ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন।

মূলত সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বকরক্ষায় খেলোয়াড়রা এই জিংকসমৃদ্ধ ক্রিম মুখে বা ঠোঁটে ব্যবহার করে থাকেন।