ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুলে নিরাপদ ইন্টারনেট কর্মসূচি পালিত

131

নিরাপদ ইন্টারনেট কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশ-এ বিষয়ে কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার উত্তরাতে স্কুলটির মিলনায়তনে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ইন্টারনেটে কীভাবে নিরাপদ থাকা যায় সে বিষয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই ক্যাম্পেইন।

ClassTune

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইকেল ফোলি। উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফের চাইল্ড প্রোটেকশন স্পেশালিস্ট ক্রিস্টিনা ওয়েসল্যান্ড, চ্যাম্পসটোয়েন্টিওয়ান ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল টি আহমেদ, ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ইয়াসার সাভরান, অধ্যক্ষ রোকসানা জারিন, গ্রামীণফোনের হেড অব সাসটেইনিবিলিটি রাসনা হাসান, কর্পোরেট রেসপনসিবিলিটি স্পেশালিস্ট হাফিজুর রহমান খান প্রমুখ।

কর্মসূচিতে স্কুলটির ছয় শতাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কীভাবে ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকা যায় সে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষিত করা হয়। ইন্টারনেটকে কীভাবে পড়ালেখা, যোগাযোগসহ দৈনন্দিন বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কী করা উচিত ও কী করা উচিত নয়, কীভাবে নিজের অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখা যায়, সাইবার বুলিং থেকে রক্ষা ও সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে কী করণীয় এসব বিষয়ে বিষদভাবে আলোচনা করা হয়।

গ্রামীণফোন, টেলিনর ও ইউনিসেফের যৌথ আয়োজনে ‘বি স্মার্ট, ইউজ হার্ট’ শীর্ষক ক্যাম্পেইনটি বাস্তবায়ন করছে চ্যাম্পসটোয়েন্টিওয়ান ডটকম।

প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তাদেরকে ইন্টারনেটে করণীয় ও বর্জণীয় বিষয় নিয়ে লিফলেটও প্রদান করা হয়। পাশাপাশি অনলাইন নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়গুলো সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন থাকলে কিংবা সাইবার অপরাধের শিকার হলে চাইল্ড হেল্পলাইন নাম্বার ১০৯৮ এ কল করার বিষয়েও শিশুদেরকে অবহিত করা হয়।

Hope School Bangladesh

প্রথমবারের মতো এবারের আয়োজনে ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকতে নিজেদের করণীয় বিষয়গুলো নিজে থেকে জানতে বিশেষায়িত সেবা ‘ইউ রিপোর্ট’ সম্পর্কেও শিশুদের অবহিত করা হয়। ইউ রিপোর্ট এর হটলাইন নাম্বার ১৬৬২৯ এ এসএমএস করে অথবা ফেসবুক পেজে যুক্ত হয়ে বিনামূল্যে এই সেবা পাবেন শিশু, অভিভাবকসহ যেকেউ।

চলতি মাসসহ আগামী অক্টোবর মাসব্যাপী এই ক্যাম্পেইনে দেশের ৫ লাখ শিক্ষার্থীকে এই প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। পাশাপাশি ২ লাখ অভিভাবক ও শিক্ষকদের মাঝে এই সচেতনতা ছড়িয়ে দেয়া হবে।